খাদ্য ও পুষ্টি, ডায়াবেটিস, সাম্প্রতিক, স্বাস্থ্য সংবাদ, হেলথ টিপস্‌

ডায়াবেটিক রোগীরা যে মৌসুমি ফল যতটুকু খেতে পারবে

চলে এসেছে ফলের মৌসুম। আম, জাম, কাঁঠালে ভরা মৌসুমি ফল গুলো খেতে অনেক সুস্বাদু এবং উপকারী হলেও ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য এগুলো খাওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকা উচিৎ। কারণ ডায়াবেটিক রোগীদের ভালো জিনিসও পরিমাণমত খেতে হয়।

তাহলে চলুন জেনে নেই একজন ডায়াবেটিক রোগী কোন মৌসুমি ফলটি কতটুকু খেতে পারবেন-

যে মৌসুমি ফল যতটুকু খেতে পারবেন

ডায়াবেটিক রোগীরা দিনে ১৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ করতে পারবেন। সে অনুযায়ী তারা যে ফল যতটুকু খেতে পারবেন তা নিচে দেওয়া হলো-

আম

একজন ডায়াবেটিক রোগী দিনের প্রধান দুটি ভোজনের পর ৫০ গ্রাম এর সমপরিমাণ আম খেতে পারবেন। তবে কেউ যদি ব্যায়াম না করতে পারেন তাহলে আম খাওয়ার পরিমাণ আরও কমিয়ে আনতে হবে।

জাম

একটি কাপের তিন-চতুর্থাংশ পরিমাণ জাম খাওয়া যাবে।

কাঁঠাল

পাকা কাঁঠাল খাওয়া নিয়ে দ্বিমত থাকলেও কাঁচা কাঁঠাল যেকোনো ডায়াবেটিক রোগী খেতে পারবেন। তবে সেটা অবশ্যই পরিমাণমত হতে হবে।

লিচু

লিচু স্বাদে মিষ্টি হলেও এতে এক ধরনের অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। সুতরাং ডায়াবেটিক রোগীরা নিশ্চিন্তে লিচু খেতে পারেন তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন সেটা অত্যাধিক পরিমাণে না হয়ে যায়।

আনারস

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে এরা সাহায্য করলেও পরিমাণে খুবই অল্প গ্রহণ করা যায়। সুতরাং এক কাপের ৪ ভাগের এক ভাগ আনারস খাওয়ায় শ্রেয়।

পেঁপে

স্বাদে মিষ্টি হলেও এতে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ একেবারে কম। এক কাপ পাকা পেঁপেতে মাত্র ৮.৩ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট থাকে। সুতরাং প্রতিদিন ১.৫ কাপ পেঁপে নিশ্চিন্তে খেতে পারবেন।

তরমুজ

এটি শুধু আপনার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণই করেনা বরং অন্যান্য আরও অনেক ক্ষেত্রে সাহায্য করে। একজন ডায়াবেটিক রোগী দিনে ১.২৫ কাপ পাকা তরমুজ খেতে পারবেন।

পেয়ারা

নিশ্চিন্তে ১০০ গ্রাম এর একটি পেয়ারা এক দিনে আপনি খেয়ে নিতে পারবেন। এটি আপনার ডায়াবেটিস ও নিয়ন্ত্রণে রাখবে সাথে সাথে আপনার ভিটামিন ও মিনারেলের চাহিদাও পূরণ করবে।

ডালিম

ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য এটি অত্যন্ত উপকারী। প্রতি আধা কাপ ডালিমের জুসের মধ্যে ১৬ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট থাকে। সুতরাং দিনে আধা কাপের একটু কম খেতে পারবেন। জুস না করে খেলে আধা কাপের একটু বেশি খেতে পারবেন।

কামরাঙ্গা

কোন ডায়াবেটিক রোগীর যদি কিডনিতে সমস্যা থাকে তাহলে তার কামরাঙ্গা খাওয়া উচিৎ নয়। তা ছাড়া নিশ্চিন্তে ২০০ গ্রাম কামরাঙ্গা খেয়ে ফেলতে পারেন। এটি শরীরের জন্যও অত্যন্ত উপকারী।

 

Comments

comments

Previous Post Next Post

You Might Also Like

Comments are closed.