রোজায়-খাদ্যভ্যাস
খাদ্য ও পুষ্টি, জীবনযাত্রা, হেলথ টিপস্‌

রমজানে সুস্থ থাকার খাদ্যাভ্যাস এবং স্বাস্থ্য সতর্কতা

রোজার মাসে শরীরকে সুস্থ ও দেহের ওজন স্বাভাবিক রাখার জন্য ইফতার ও সেহেরিতে রাখুন একটা ব্যালেন্স ডায়েট বা সুষম খাবার তালিকা।

এবার রোজা হচ্ছে প্রচন্ড গরমের সময়ে। তাই শরীরকে হাইড্রেট রাখতে ইফতারির খাবার তালিকায় রাখুন পানি, মৌসুমি ফল ও ফলের জুস, ঠান্ডা খাবার, সালাত ও আঁশযুক্ত খাবার। তেল বা চর্বিযুক্ত খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন।

ইফতার থেকে সেহেরি পর্যন্ত অন্তত দশ গ্লাস পানি পান শরীরের জন্য খুবই জরুরী। রোজার সময় চা বা কফি পুরোপুরি এড়িয়ে চলুন। এতে আপনার শরীর ডিহাইড্রেট থেকে রক্ষা পাবে।

ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীরা রোজার সময় দিনের বেলায় না হেঁটে ইফতারির পরে হাঁটতে পারেন। তাছাড়াও মিষ্টি জাতীয় খাবার, শরবত, খেজুর, মিষ্টি জাতীয় ফল খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। তবে ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীরা কাঁচা আমের জুস, জামের শরবত খেতে পারেন।

কিডনি আক্রান্ত রোগীদের জন্য আপেল, আনারস, পেয়ারা, বিভিন্ন ধরনের সবজি এবং পরিমিত পানি পান করা উত্তম।

হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের জন্য তেল বা চর্বি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। এতে শরীর সুস্থ থাকবে।

ভেজিটেরিয়ানরা ইফতারিতে অন্তত ৫০ গ্রাম বাদাম খেতে পারেন। এতে শরীরে প্রোটিনের চাহিদা পূরন হবে।

রোজা রাখার কারণে শরীর দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। তাই আসুন শরীরে শক্তি জোগাতে এবং শরীরকে সুস্থ রাখতে সক্ষম এমন সব খাবার ইফতার ও সেহেরির খাদ্য তালিকায় রাখি।

Comments

comments

Previous Post

You Might Also Like

Comments are closed.