পায়ের যত্ন নিন !
ঘরোয়া টিপস্‌, জীবনযাত্রা, রূপচর্চা

পায়ের যত্ন নিন !

সাধারণত সৌন্দর্যের মাপকাঠি হিসেবে মুখমণ্ডলকেই ধরা হয়। যার মুখ যত উজ্জ্বল ও পরিষ্কার, সে ততোই সুন্দর। সৌন্দর্যের এই গতানুগতিক ধারণা কিন্তু পালটেছে; বদলেছে সৌন্দর্যের সংজ্ঞা। এখন চুল থেকে শুরু করে পায়ের নখ পর্যন্ত- সব জায়গাতেই চাই বাড়তি যত্ন। তবেই না আপনার সৌন্দর্য সম্পূর্ণ হবে? আমাদের অনেকের মধ্যেই পায়ের সৌন্দর্যকে এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। বলা বাহুল্য, পায়ের যত্ন ছাড়া আপনার সৌন্দর্য থেকে যায় অসম্পূর্ণ। তাই আজ আমরা জানবো, কিভাবে ঘরোয়া পদ্ধতিতে সহজে পায়ের যত্ন নেয়া যায়।

১। সপ্তাহে অন্তত এক বার ভাল ভেষজ তেল দিয়ে পা মাসাজ করুন।

২। এক বালতি কুসুম গরম পানিতে সামান্য পরিমাণ শ্যাম্পু এবং কয়েক ফোঁটা তেল দিয়ে তার মধ্যে দুই পা ডুবিয়ে রাখুন। ৩০ মিনিট পর পা বের করে পিউমিছ স্টোন(ঝামা) দিয়ে পরিষ্কার করে ধুয়ে ফেলুন। এতে পা নরম থাকে এবং গোড়ালিতে ফাটল দেখা দেয় না।

৩। পায়ে নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

৪। যে জুতাটি পড়ছেন, সেটি আরামদায়ক তো? পরিষ্কার ও আরামদায়ক জুতা পড়তে চেষ্টা করুন; পায়ের যত্ন নিন।

৫। গ্লিসারিনের সাথে গোলাপ জল মিশিয়ে পায়ে ব্যবহার করলে পা পরিষ্কার এবং নমনীয় থাকে।

৬। লেবুর রসের মধ্যে ১৫ মিনিট পা ভিজিয়ে রাখতে পারেন। পা ময়েশ্চারাইজ এবং নমনীয় থাকবে। পায়ের সকল ব্যাকটেরিয়া মারা যাবে।

৭। গোড়ালির ফাটল কমাতে মধু বা নারকেল তেল ব্যবহার করতে পারেন। মধু পায়ে মেখে কিছুক্ষন রেখে দিন; হালকা মাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন; পায়ের যত্ন হবে।

৮। নখ কাটতে কখনো কাঁচি ব্যবহার করবেন না।

৯। এক বালতি কুসুম গরম পানিতে অর্ধেক কাপ সামুদ্রিক লবণ, লেবুর স্লাইস, ৫-১০ টি মিন্ট পাতা ও এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে পা ডুবিয়ে রাখুন। ১০-১৫ মিনিট পর হালকা মাসাজ করে পা ধুয়ে ফেলুন।

১০। ৩ টি লেবুর জুস, ২ টেবিল চামচ চিনি, ১ টেবিল চামচ অ্যালমন্ড অয়েল, ১০-১৫ টি তাজা মিন্ট পাতা, কয়েক ফোঁটা লাইম এসেনশিয়াল অয়েল একসাথে মিশিয়ে ঘন মিশ্রণের তৈরি করুন। এই মিশ্রণটি পায়ে লাগিয়ে শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে একটি কাপড় গরম পানিতে ভিজিয়ে পা পরিষ্কার করে নিন।

১১। যাদের পা ও শরীর অনেক ঘামে তারা অ্যান্টিপার্সপাইরেন্ট জাতীয় জিনিস পত্র ব্যবহার করবেন।

১২। শীতকালে পায়ের যত্ন নিতে লোশন ব্যবহার করুন।

১৩। অনেকে পা শেভ বা অয়্যাক্সিং করেন। এসকল কাজ ধীরে সুস্থে করবেন; তা না হলে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে।

Comments

comments

Previous Post Next Post

You Might Also Like

Comments are closed.